সুনামগঞ্জ , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ , ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন বিল সংসদে পাস কোথাও ধান কাটার উৎসব, কোথাও জলের নিচে স্বপ্ন মুক্তিপণ নেয়ার পরও অপহরণকারীরা ফেরত দেয়নি মোনায়েমকে, উৎকণ্ঠায় পরিবার টাঙ্গুয়ার হাওরে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প কমিউনিটি ভিত্তিক স্বপ্ন কি টিকে থাকবে? দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট : হাসনাত আব্দুল্লাহকে স্পিকার সংসদে ১৩ দিনে ৯১টি বিল পাস শাল্লায় নিরীহ পরিবারের বাসা দখলে ঘোষণা দিয়ে হামলা ত্যাগী নেত্রীদের মূল্যায়ন চায় বিএনপি’র তৃণমূল দালালের ফাঁদে নিঃস্ব অভিবাসন প্রত্যাশীরা, হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা দিরাইয়ে পৃথক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল’ পাস শান্তিগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ কর্তন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, মেরামতের নির্দেশ উদ্বোধন হলো ‘মা ও শিশু হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ হাওরে দেশি ধান কাটা শুরু দোয়ারাবাজারে অভিযুক্ত শিক্ষককে কর্মস্থলে ফেরানোর চেষ্টায় শিক্ষার্থীদের বাধা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষক নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন সাইফুল ইসলাম নিজেদের টাকায় সরকারি সড়ক সংস্কার করলেন এলাকাবাসী ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ সংসদে পাস

শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২২:০৭ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার ::
শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুধীর চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
গত ২০ জুলাই হবিবপুর ইউনিয়নের সরসপুর গ্রামের মৃত কার্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে রবীন্দ্র কুমার দাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস শ্যামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সরসপুর গ্রামের মধ্যেরহাটি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকার বরাদ্দ গ্রহণ করেন এবং এর মধ্যে এক লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত চৈত্র মাসে এলাকার কয়েকজন যুবক নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। কিন্তু ইউপি সদস্য প্রকৃত কাজ না করেও সেই রাস্তা দেখিয়ে প্রকল্প জমা দিয়ে সরকারি টাকা তুলে নেন। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস বলেন, আমি অন্য এলাকায় প্রকল্প জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন যুবক অনুরোধ করেন এই রাস্তার উপর প্রকল্প দিতে। তাদের কথামতো আমি প্রকল্প জমা দিই এবং এক লক্ষ টাকা উত্তোলন করি। এর কিছু অংশ প্রকল্পের পরিবহন খরচ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দিতে হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা যারা রাস্তার কাজ করেছেন তাদের নিতে বলেছি। দ্বিতীয় বিলের আরও এক লক্ষ টাকাও তোলার পর তাদের দিতে বলেছিলাম। এখন প্রতিপক্ষ মহল আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে।
এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বদলিজনিত কারণে তদন্তে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স